Posts

পৃথিবীর বিভিন্ন বায়ু চাপ বলয় সম্পর্কে আলোচনা | madhyomik suggestions2021

Image
               পৃথিবীর বিভিন্ন বায়ুচাপ বলয়      পৃথিবীর আকারের জন্য ও আবর্তন গতির জন্য বিভিন্ন বায়ুচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়েছে।  যে বিশাল বায়ুর চাদর পৃথিবীকে ঘিরে রেখেছে, সেই বায়ুর চাপ পৃথিবীর সর্বত্র সমান নয়। বায়ুর এই চাপের পার্থক্যের উপর নির্ভর করে সমস্ত পৃথিবীর বায়ুচাপ কে কয়েকটি বলয়ে ভাগ করা যায়।  পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত তিনটি নিম্ন চাপ ও চারটি উচ্চ চাপ বলয় অবস্থান করে।  পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চলে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ - এই প্রশ্নটির উত্তর এর জন্য এখানে ক্লিক করো।  নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়           নিরক্ষ রেখার উভয় দিকে 5 ডিগ্রি থেকে 10 ডিগ্রি অখাংশের মধ্যে সারা বছর বায়ুর চাপ খুব কম থাকে, তাই এই অঞ্চলকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় বলা হয়।   DOWNLOAD EDUCOSTUDY APP FROM PLAYSTORE CLICK HERE নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ - নিরক্ষরেখার উভয় দিকে 5 থেকে 10 ডিগ্রি অখাংশের মধ্যে সূর্য লম্ব ভাবে কিরণ দেবার ফলে সারা বছর এই অঞ্চলের বায়ু উষ্ণ ও হালকা থাকে। এই হালকা বায়ু ওপর...

Madhyomik Geography Suggestions 2020. পৃথিবীর বিভিন্ন তাপ বলয়। Heat zone of Earth.

Image
                   পৃথিবীর বিভিন্ন তাপ বলয়        পৃথিবীর আকার উপবৃত্তাকার হবার জন্য সূর্যের আলো সর্বত্র সমান ভাবে পড়ে না, যার ফলে পৃথিবীর সমস্ত স্থানে উষ্ণতা সমান থাকে না। তাপ মাত্রার এই তারতম্যের জন্য প্রথিবীকে কয়েকটি তাপ অঞ্চলে ভাগ করা যায়। এই কয়েকটি তাপমণ্ডল নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো --  উষ্ণ মন্ডল        পৃথিবীর মাঝ বরাবর অর্থাৎ নিরক্ষ রেখা বরাবর সূর্য সারা বছর লম্বা ভাবার কিরণ দেয় যার ফলে সারা বছর উষ্ণতা দেখা যায়। তাই এই অঞ্চলের নাম উষ্ণ মন্ডল।   DOWNLOAD EDUCOSTUDY APP FROM PLAYSTORE CLICK HERE       নিরিখ রেখার উভয় দিকে সাড়ে 23 ডিগ্রি অখাংশের মধ্যে প্রায় 5200 কিমি জুড়ে এই উষ্ণ মিনডন অবস্থান করে। এখানে সারা বছর সূর্য রশ্মি লম্ব ভাবে কিরণ দেয়। দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়। এই অঞ্চলের বার্ষিক গড় উষ্ণতা 27 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল        নিরক্ষ রেখার উভয় দিকে সাড়ে 23 ডিগ্রি থেকে অরে 66 ডিগ্রি অখাংশের মধ্যে অবস্থিত এই অঞ্চল কে নাতি...

Air Temperature System . বায়ুর উষ্ণতার পার্থক্যের কারণ। madhyomik geography suggestions

Image
             বায়ুর উষ্ণতার তারতম্যের কারণ      পৃথিবী সংলগ্ন বায়ু স্তরের তাপমাত্রা সব স্থানে সমান নয়।  বিভিন্ন কারণে বায়ুর উষ্ণতার এই পার্থক্য দেখা যায়।  সমস্ত বায়ু মন্ডলের উষ্ণতা এক থাকে না এর যে সমস্ত প্রধান কারণ দেখা যায় সেগুলি হলো -- সূর্যরশ্মির তাপীয় ফল          পৃথিবীতে সমস্ত তাপীয় শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য। সূর্য থেকে  আসা শক্তি বায়ু মন্ডল কে উত্তপ্ত করে।  দেখা গেছে যে সূর্যের মোট রশ্মির 200 কোটি ভাগের এক ভাগ পৃথিবীতে পৌঁছায় যা পৃথিবীর বায়ু মন্ডল কে উত্তপ্ত করে। এই পদ্ধতিকে সূর্য রশ্মির তাপীয় ফল বলা হয়।           পৃথিবীতে আসা মোট আলোর সব টুকু ভূপৃষ্ঠ দ্বারা শোষিত হয় না, প্রায় 34 শতাংশ বায়ু মন্ডলে বিভিন্ন উপাদান দ্বারা মহাশুন্যে ফিরে যায় একে অ্যালবেডো বলে।   DOWNLOAD EDUCOSTUDY APP FROM PLAYSTORE CLICK HERE অখাংশ      অখাংশের পার্থক্যের জন্য পৃথিবীতে সূর্যের পতন কোনের পার্থক্য ঘটে। এই পাতন কোনএর পার্থক্যের জন্য পৃথিবীতে কোথায় কম আবার কোথাও...

Stage of Atmosphere. বায়ু মন্ডলের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে আলোচনা।

Image
                   বায়ু মন্ডলের বিভিন্ন স্তর     ভূপৃষ্ঠের উপর থেকে সাধারণত 10,000 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল গ্যাসীয় অবরণীকে  বায়ুমন্ডল বলা হয়। এই বিশাল বায়ু মন্ডলের মধ্যে সব স্থানে বায়ুর উপাদান, বা গুনাগুন সমান ভাবে অবস্থান করে না। তাই বায়ুর বিভিন্ন উপাদান ও রাসায়নিক গুনের উপর ভিত্তি করে  প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায় - সম মন্ডল ও বিষম মন্ডল।  Stage of Atmosphere .   DOWNLOAD EDUCOSTUDY APP FROM PLAYSTORE CLICK HERE      আবার বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা সবস্থানে সমান নয় এই কারণে বায়ুর উষ্ণতার উপর নির্ভর করে বায়ুমন্ডল কে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। সেগুলি সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো - ট্রপোস্ফিয়ার বা ঘনমন্ডল         এটি বায়ু মন্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, যা নিরক্ষরেখা বরাবর 18 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।  বৈশিষ্ট্য :- ১) এই স্তরের বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।  ২) এই স্তরের উষ্ণতা সব জায়গাতে সমান নয়।  ৩) এই স্তরে জীবমণ্ডলের অস্তিত্ব দেখা যায়। ৪) এই স্তর বরাবর উপরে উঠলে প্র...

Madhyomik Geography suggestions. বায়ুর সঞ্চয় / অবক্ষেপন কার্যের ফলে গঠিত ভুলমিরূপ।

Image
         বায়ুর সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত ভুমিরূপ          মরু অঞ্চলে বাতাসে প্রচুর পরিমানে বলি থাকে। কোনো বাধা না পেলে বায়ু গতিশীল হয়ে চলতে শুরু করে। কিন্তু কোনো কারণে বায়ু বাধা পেলে সেখানে বায়ুর বালি জমতে থাকে ও সেখানে নানান ভূমিরূপ   গড়ে ওঠে। এই প্রক্রিয়া কে সাধারণত বায়ুর সঞ্চয় কাজ বলে। বায়ুর সঞ্চয়ের ফলে বেশ কয়েক প্রকার ভূমি গড়ে ওঠে, যেমন --   DOWNLOAD EDUCOSTUDY APP FROM PLAYSTORE CLICK HERE ## মনে রাখার বিষয় হলো বায়ুর সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ তেমন বেশি নয়। তাই প্রশ্ন টি আসলে  3 নম্বরের আসতে পারে। অন্যান্য সমস্ত প্রশ্নের নোট ওয়েবসাইট আলোচনা করা আছে দেখে নাও। বালিয়াড়ি        মরুভূমির বড়ো বড়ো প্রস্থর খন্ড কে কেন্দ্র করে ঢিবির আকারে বালুকা রাশি সঞ্চিত হতে থাকে । বালির এই ডিবিকে বালিয়াড়ি বলে।  বালিয়াড়ি কে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায় -- ঢিবির মতো, পুচ্ছ , অগ্রবর্তী , পার্শ্বস্থ , অনুদৈর্ঘ্য , রোডর্স বালিয়াড়ি ইত্যাদি।  বারখান     কোনো কোনো মরুভুমি অঞ্চলে বায়ু প্রবাহের গতির আড়াআড়ি ভ...

Madhyomik Geography Suggestions. বায়ুর ক্ষয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ।

Image
             বায়ুর ক্ষয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ।      পৃথিবীকে ঘিরে অবস্থান করছে বিশাল বায়ুস্তর । পৃথিবীর আবর্তন গতির জন্য এই বায়ুস্তর গতিশীল হয়ে পড়ে। বায়ুর গতি সবথেকে বেশি দেখা যায় বাধাহীন অঞ্চলে অর্থাৎ মরুভুমি অঞ্চলে। মরুভূমিতে বায়ু সবথেকে বেশি ক্রিয়াশীল হয় বলে বায়ুর তিনটি কাজ কেই মরুভূমিতে দেখা যায়।        নদী বা হিমবাহের মতই বায়ুও ক্ষয় কাজ করে নানান ভূমিরূপ গোড়ে তোলে, যেমন --    DOWNLOAD EDUCOSTUDY APP FROM PLAYSTORE CLICK HERE ভেন্টিফেক্ট        যে সকল মরুভুমি অঞ্চলে একদিক থেকে সারা বছর বায়ু প্রবাহিত হয় সেই সকল মরুভূমিতে ওই নির্দিষ্ট দিকের শিলা ক্ষয় প্রাপ্ত হয়ে মসৃন ও সুচালো হয়। এর ফলে যে ভূমিরূপ গোরে ওঠে তাকে ভেন্টিফেক্ট বলে।  কালাহাড়ি মরুভূমিতে এই ধরণের ভূমিরূপ দেখা যায়। ড্রেইকান্টার         যে সকল মরুভূমিতে বিভিন্ন দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়, সেখানে শিলার বিভিন্ন দিক থেকে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মসৃন ও সুচালো হয়ে যে আকৃতির ভূমিরূপ গড়ে তোলে তাকে ড্রেইকান্টার ব...

Madhyomik geography suggestions হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ।

Image
             হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ।     হিমবাহের ক্ষয় কার্যের প্রশ্নে আলোচনা করা হয়েছে  যে হিমবাহ কি ও কিভাবে কাজ করে । প্রয়োজনে দেখে নিতে পারো।   উত্তর --  নদীর মতো হিমবাহেরও কাজের কয়েক রকম ধাপ আছে । হিমবাহ ক্ষয় করে ও সেই ক্ষয়িত পদার্থ কে সঞ্চয় করে । ক্ষয় কার্যের ফলে যেমন নানান ভূমিরূপ গড়ে  ওঠে তেমন ভাবে সঞ্চয় কাজের জন্য ও নানান ভূমিরূপ গড়ে ওঠে। হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের জন্য যে সকল ভূমিরূপ গড়ে ওঠে তাদের কয়েকটি সম্পর্কে  আলোচনা করা হলো --   DOWNLOAD EDUCOSTUDY APP FROM PLAYSTORE CLICK HERE গ্রাবরেখা      হিমবাহ দ্বারা বাহিত প্রস্তর খন্ড পর্বতের নিচে পড়ে চাপ ও তাপের জন্য বরফমুক্ত হয়ে পড়ে ও বিভিন্ন স্থানে সারিবদ্ধ ভাবে সঞ্চিত হয়, এই সঞ্চিত প্রস্তর খন্ড কে গ্রাবরেখা বলে।          গ্রাবরেখা কে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায় -- সম্মুখ , মধ্য , প্রান্ত , আবদ্ধ ও তলদেশ গ্রাবরেখা। আগামুখ      হিমবাহ বিভিন্ন আকৃতির প্রস্তরখন্ড অবক্ষেপন করে। এই সমস্ত অবক...