Posts

Showing posts with the label Class nine Geography

অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার পার্থক্য | Difference Latitude Longitude | Educostudy

Image
  পৃথিবীর উপর কল্পিত একাধিক রেখা কল্পনা করা হয়েছে বা টানা হয়েছে এদেরকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথম  অক্ষরেখা  এবং দ্বিতীয়  দ্রাঘিমারেখা ।    পৃথিবীর  কোনো স্থান নির্ণয় করতে গেলে আমাদের প্রয়োজন হয় দুই প্রকার  কাল্পনিক  রেখার। এই দুই প্রকার  কাল্পনিক  রেখা হলো -  অক্ষরেখা  ও  দ্রাঘিমারেখা । এখানে অক্ষরেখা এবং  দ্রাঘিমারেখা  সম্পর্কে বিস্তৃতভাবে আলোচনা করা হলো। অক্ষরেখা  কাকে বলে       নিরক্ষরেখার উভয় দিকে  সমান্তরাল  ভাবে প্রতি  1°  অন্তর মোট  178  টি কাল্পনিক  বৃত্তাকার  রেখা পৃথিবীকে ঘিরে আছে। এই প্রত্যেকটি রেখাকে বলা হয়  অক্ষরেখা । পৃথিবীর কয়েকটি  গুরুত্বপূর্ণ  অক্ষরেখা হলো নিরক্ষরেখা বা  বিষুবরেখা , কর্কটক্রান্তি,  মকরক্রান্তি , সুমেরু বৃত্ত ও  কুমেরু  বৃত্ত রেখা। অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখার বৈশিষ্ট্য গুরুত্ব ও পার্থক্য অক্ষরেখার বৈশিষ্ট্য     1) একই অখাংশ বিশিষ্ট্য রেখাকে অক্ষরেখা বলে।...

অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখার বৈশিষ্ট্য গুরুত্ব ও পার্থক্য | Educostudy

Image
   পৃথিবীর উপর কল্পিত একাধিক রেখা কল্পনা করা হয়েছে বা টানা হয়েছে এদেরকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথম অক্ষরেখা এবং দ্বিতীয় দ্রাঘিমারেখা ।    পৃথিবীর কোনো স্থান নির্ণয় করতে গেলে আমাদের প্রয়োজন হয় দুই প্রকার কাল্পনিক রেখার। এই দুই প্রকার কাল্পনিক রেখা হলো - অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা । এখানে অক্ষরেখা এবং দ্রাক্ষ রেখা সম্পর্কে বিস্তৃতভাবে আলোচনা করা হলো। অক্ষরেখা  কাকে বলে       নিরক্ষরেখার উভয় দিকে সমান্তরাল ভাবে প্রতি 1° অন্তর মোট 178 টি কাল্পনিক বৃত্তাকার রেখা পৃথিবীকে ঘিরে আছে। এই প্রত্যেকটি রেখাকে বলা হয় অক্ষরেখা । পৃথিবীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরেখা হলো নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা , কর্কটক্রান্তি, মকরক্রান্তি , সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত রেখা। অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখার বৈশিষ্ট্য গুরুত্ব ও পার্থক্য অক্ষরেখার বৈশিষ্ট্য     1) একই অখাংশ বিশিষ্ট্য রেখাকে অক্ষরেখা বলে।        2)  প্রতিটি অক্ষরেখা নিরক্ষ রেখার সমান্তরালে অবস্থিত।         3)  অক্ষরেখা গুলি পূর্ন বৃত্তা...

Most important Question Class Nine Geography 2020. ভূগোলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

Image
          গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ভৌগোলিক ব্যাখ্যা।  ** নিরক্ষ রেখায় সারা বছর গ্রীষ্মকাল থাকে কেন উত্তর :-  নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর সূর্য প্রায় লম্বা ভাবে কিরণ দেয়। 21 সে মার্চ ও 23 সে সেপ্টেম্বর সম্পুর্ন লম্ব ভাবে সূর্য নিরক্ষরেখার উপর কিরণ দেয়।  স্বাভাবিক ভাবেই সেই কারণে এই অঞ্চলে দিন ও রাত সমান হয়, অর্থাৎ 12 ঘন্টা দিন ও রাত হয়। দিনের ও রাতের দৈর্ঘের হ্রাস বৃদ্ধি হয় না বলে তাপমাত্রার পরিবর্তন খুব কম দেখা যায়। বছরের বেশির ভাগ সময় দিনের দৈর্ঘ বড়ো হয় , তাই স্বাভাবিক ভাবে তাপ মাত্রা বেশি হবার জন্য সারা বছর গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। ** মেরু অঞ্চলে সারা বছর শীতকাল বিরাজ করে কেন । উত্তর :-  পৃথিবীর মেরুটি কক্ষ তলের সাথে সাড়ে 66 ডিগ্রি কোন করে হেলে অবস্থান করে, যার ফলে সূর্যের আলো মেরু অঞ্চলে গিয়ে পৌঁছাতে পারে না। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে যেতে লাগলে দেখা যায় দিন ও রাতের পার্থক্য ঘটতে থাকে। শুধুমাত্র সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের সময় 6 মাস করে উভয় গোলার্ধে দিন ও রাত থাকে। কিন্তু এই সময়েও সূর্যের আলো খুব তির্যক ভাবে পড়ে তাই সূর্যে...

Class 9 Geography "Rotation of Earth" পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলাফল।

Image
Rotation Of Earth,পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলাফল।       মহাকাশে পৃথিবীর দুই ধরণের গতি দেখা যায়। এক হলো আবর্তন গতি বা আহ্নিক গতি ও পরিক্রমণ গতি বা বার্ষিক গতি।        পৃথিবী যখন নিজের অক্ষরেখার উপর একপাক ঘুরে আসে তখন তার সময় লাগে 23 ঘন্টা 56 মিনিট এবং 40 সেকেন্ড এই সময় কে পৃথিবীর আবর্তন গতি বলা হয়। এই আবর্তন গতির সময় পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে। নিরক্ষরেখায় এই বেগ 1667 KM/h ।          এই গতির ফলে কিছু পরিবর্তন ও সৃষ্টি পৃথিবীতে ঘটে, যে গুলিকে আবর্তন গতির ফল বলা হয়। কয়েকটি ফলাফল নিয়ে আলোচলা করা হলো -  ## এখানে লক্ষ্য রাখতে হবে প্রশ্নের 3 থাকলে শুধু আসল পয়েন্টটাকে লিখতে হবে, আর 5 থাকলে পুরোটাই লিখতেহবে। দিন ও রাত্রির সৃষ্টি          আবর্তন গতির সময় পৃথিবীর কোনো স্থান সূর্যের সামনে থাকে আবার কোনো স্থান সূর্যের বিপরীতে থাকে। পৃথিবীর যে স্থান সূর্যের সামনে থাকে সেখানে দিন হয় আর তার বিপরীত স্থানে হয় রাত । সকাল ও সন্ধ্যার সৃষ্টি           যে ভাবে আবর্তন ...

Class 9 Geography "Revolution of Earth" পরিক্রমণ গতির ফলাফল ।

Image
Revolution of Earth / বার্ষিক গতির ফলাফল       পৃথিবীর দুই ধরণের গতি দেখা যায় - আবর্তন গতি ও পরিক্রমণ গতি। এই দুই গতির পিছনে পৃথিবীর দুই ধরণের ক্রিয়া মূল কাজ করে থাকে।         পৃথিবী নিজের অক্ষের উপর ঘুরত ঘুরতে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে, এই প্রদক্ষিন করতে সময় লাগে 365 দিন, 5 ঘন্টা 48 মিনিট, 46 সেকেন্ড। এই সময় কে পৃথিবীর বার্ষিক বা পরিক্রমণ গতি বলা হয়। পৃথিবীর এই গতির ফলে যে সমস্ত বৈশিষ্ট্য দেখা যায় তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো। দিন ও রাতের পরিমান          সূর্য সারা বছর নিরক্ষরেখার উপর কিরণ দেয় এই কারণে নিরক্ষরেখায় দিন ও রাত সবসময় সমান হয়। কিন্তু পৃথিবীর অন্য সকল স্থানে দিন ও রাত্রের বেশ পার্থক্য দেখা যায়। এর কারণ হলো -  পৃথিবী একটি অভিগত গোলক হবার কারণে। পৃথিবীর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার হবার জন্য। পৃথিবীর মেরু রেখা সব সময় এক দিকে হেলে অবস্থান করার জন্য। ঋতু পরিবর্তন      পৃথিবী তার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে। এই প্রদক্ষিন কালে পৃথিবীর অবস্থানের উপর নির্ভর করে ঋতু পরিবর্তিত হয়। উষ্ণতার ...

জিপিএস কি ? GPS এর ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা। Class ix Geography

Image
   GPS কথাটির পুরো নাম ' গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম ' । এর ব্যবহার আমরা কয়েক বর্ষ আগেই স্মার্টফোন এর মাধ্যমে জানতে পেরেছি। চলুন জিপিএস এর ব্যাবহার সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য আমরা জেনে নিই। GPS কি ?         GPS কথাটি বর্তমানে বহুল প্রচলিত একটি শব্দ, এর ব্যবহার আমরা কয়েক বর্ষ আগেই স্মার্টফোন এর মাধ্যমে জানতে পেরেছি। GPS কথাটির পুরো নাম ' গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম ' । আধুনিক প্রযুক্তির এই অবদান পৃথিবীতে এক নতুন বিষ্ময় সৃষ্টি করেছে। জিপিএস এর ফলে পৃথিবীর কোনো স্থান খুব সহজেই হাতের মুঠোয় চলে এসেছে।  GPS এর আবিষ্কার :          GPS প্রথম ব্যবহার করে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র । 1970 সালে প্রতিরক্ষা বিভাগ কে শক্তিশালী করতে আমেরিকা এই জিপিএস এর ব্যবহার করে। আমেরিকার এই জিপিএস ব্যবস্থার নাম ছিলো নাভাস্টার জিপিএস । শুধু আমেরিকা নয় রাশিয়া , ও ইউরোপের নানান দেশ মহাকাশে উপগ্রহ পাঠিয়ে জিপিএস এর ব্যবহার শুরু করে। আমাদের ভারতবর্ষ কিন্তু পিছিয়ে নেই , ভারত নিজস্ব ভাবে উপগ্রহ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে জিপিএস চালু করতে সক্ষম হয়েছে।ভারতের জিপিএস এর...

Resources energy, renewable, energy resources of india, ভারতের শক্তি সম্পদ।

Image
    Resources energy, renewable energy. ভারতের শক্তি সম্পদ:          যে কোনো দেশের উন্নয়নের একটি প্রধান ভিত হলো সেই দেশের সম্পদ / resources । এই সম্পদের উৎস ও ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কয়েক প্রকারে ভাগ করা যায়। যেমন কৃষিজ সম্পদ, খনিজ সম্পদ, শক্তি সম্পদ, । এই সকল প্রকার সম্পদ মিলে যে কোনো দেশের সম্পদ তৈরী হয়। ঠিক একই ভাবে এই সকল প্রকার সম্পদ মিলে সৃষ্টি হয়েছে ভারতীয় সম্পদের / resources if india । আমাদের আলোচনার বিষয় যেহেতু শুধু শক্তি সম্পদ / resources energy , তাই আমরা সেই বিষয়ে আলোচনা শুরু করবো।        শক্তি সম্পদ কে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন - তাপ বিদ্যুত বা Thermal energy , জলবিদ্যুৎ বা Hydel energy , ইত্যাদি। তাপ বিদ্যুৎ/ Thermal Energy          ভারতের অধিকাংশ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলি কয়লা দ্বারা চালিত হয়। কয়লার সাহায্যে জলকে বাষ্প করে তার সাহায্যে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ভারতের প্রায় 70 শতাংশ তাপবিদ্যুৎ কয়লা নির্ভর।        ভারতে প্রায় 90 টি তাপ বিদ্যুৎ ক...

Class Nine Geography MCQ Part 2

Image
          Class Nine Geography  MCQ Part 2        # পৃথিবীর কয়টি গতি ও কি কি ? উত্তর   দুটি গতি আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি । # নক্ষত্র মন্ডলীও গতি কি ? উত্তর   আবর্তন ও পরিক্রমণ এর সাথে সাথে পুরো সৌরপরিবার টি একটি নির্দিষ্ট পথে আকাশগঙ্গা নামে নক্ষত্রমন্ডলের চারিপাশে ঘোরে, এক পাক ঘুরতে সময় লাগে প্রায় 22 কোটি বছর এর নাম নক্ষত্রমণ্ডলীও গতি। # মঙ্গলের আবর্তনের সময় কত সময় কত ? উত্তর    ২৪ ঘন্টা ৩৭ মিনিট । # আবর্তনের সময় পৃথিবী কোন দিক থেকে কোন দিকে ঘোরে ? উত্তর   পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে । # সূর্যের আপাত দৈনিক গতি কি ? উত্তর    প্রতি 24 ঘন্টায় পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে চলেছে বলে আকাশ এ আমরা সূর্যকে বিপরীত দিক থেকে দেখতে পাই অর্থাৎ পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে যেতে দেখি। প্রতিদিনের আকাশে সূর্যের এই পূর্ব থেকে পশ্চিমে যাওয়াই হল সূর্যের আপাত দৈনিক গতি । Class Nine Geography  MCQ Part 2 # পৃথিবীর আবর্তন গতির দুটি ফলাফল লেখ । উত্তর   আবর্তন গতির ফলে দিন ও রাত হয় এব...

Class Nine Geography MCQ 1st Part.

Image
         Class Nine Geography MCQ Class Nine Geography MCQ 1st Part. #অন্তঃস্থ ও বহিঃস্থ গ্রহ কি ? উত্তর   সৌর পরিবারের প্রথম চারটি গ্রহ অর্থাৎ বুধ শুক্র পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহ গুলি কে অন্তঃস্থ গ্রহ বলা হয় এবং বাকি চারটি অর্থাৎ বৃহস্পতি শনি ইউরেনাস এবং নেপচুন কে বহিঃস্থ গ্রহ বলা হয়। সৌর পরিবারের গ্রহগুলিকে এই ভাগ করার মূল কারণ হলো এদের আকার, প্রথম চারটির আকার দ্বিতীয় চারটি গ্রহের আকার থেকে অনেক ছোট । # বামন গ্রহ কি ? উত্তর   সৌর পরিবারের এমন কতগুলি গ্রহ আছে যারা নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরলেও  আয়তনে অনেক ছোট এবং তাদের পাশে অবস্থিত মহাজাগতিক কোন বস্তুকে সরিয়ে দিতে পারে না, এই ধরনের গ্রহ গুলিকে বলা হয় বামন গ্রহ । # পৃথিবীকে নীল গ্রহ বলা হয় কেন? উত্তর  পৃথিবীর বেশির ভাগ স্থান সমুদ্র বেষ্টিত তাই মহাকাশ থেকে পৃথিবী কে দেখলে সমুদ্রের নীল দিকটি বেশি চোখে পড়ে এবং পৃথিবীকে নীল রঙের মতো দেখায়  তাই পৃথিবীর নাম নীল গ্রহ।  Class Nine Geography MCQ 1st Part. # কুইপার বেল্ট কি? উত্তর   সূর্য পরিবারের গ্রহ, নেপচুন এর কক্ষ থেক...