Posts

ট্রপোস্ফিয়ারে বৈপরীত্য উত্তাপ সৃষ্টির কারণ উল্লেখ করো।

Image
    পৃথিবীকে ঘিরে যে বায়ুমণ্ডল অবস্থান করে তার মধ্যে ট্রপোস্ফিয়ারে বৈপরীত্য উত্তাপ সৃষ্টি হয় , কিন্তু কেন শুধুমাত্র ট্রপোস্ফিয়ারের ক্ষেত্রে এ ধরনের বৈপরীত্য উত্তাপ সৃষ্টি হয় তা আমরা এখানে আলোচনা করে ও তার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেব। কেন ট্রপোস্ফিয়ারের বৈপরীত্য উত্তাপ সৃষ্টি হয় তার আগে আমাদের জেনে নিতে হবে যে বৈপরীত্য উত্তাপ আসলে কি ? বৈপরীত্য উত্তাপ কি ?      কখনো কখনো উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উষ্ণতা হ্রাস না পেয়ে বরং বেড়ে যায় একে বৈপরীত্য উত্তাপ বলে । এই ব্যতিক্রম প্রধানত পার্বত্য উপত্যকায় শান্ত আবহাওয়া দেখতে পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিঙে ভোরবেলা বৈপরীত্য উত্তাপ এর জন্য উপত্যকা গুলির মেঘে ঢাকা থাকে। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে তার উষ্ণতা বাড়লে উপত্যাকার পরিষ্কার হয়ে যায়।      পৃথিবীতে যতগুলো বায়ু স্তর আছে তার মধ্যে শুধুমাত্র ট্রপোস্ফিয়ারের এই ধরনের বৈপরীত্য উত্তাপ দেখা যায় । কিন্তু কেন শুধুমাত্র ট্রপোস্ফিয়ার এই বৈপরীত্য উত্তাপ সৃষ্টি হয় তার কয়েকটি কারণ আমরা নিচে দেখে নেব - ট্রপোস্ফিয়ারের বৈপরীত্য উত্তাপ সৃ...

মানুষের ক্রিয়া-কলাপ "পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌর পর্দা বিনাশের অন্যতম প্রধান কারণ" আলোচনা করো।

Image
     পৃথিবীতে মানুষের বিভিন্ন ধরনের কার্যকলাপের কারণে প্রাকৃতিক সৌর পর্দা প্রতিমুহূর্তে বিনাশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ভূগোল বা পরিবেশের ছাত্র ছাত্রী হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের জানা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এই বিষয়টি মাধ্যমিক ভূগোল বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সেই কারণে এখানে একটু যুক্তিসহ তা আলোচনা করা হলো।  পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌর পর্দা কি ?     পৃথিবীর অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর / Ozon Layer   পৃথিবী কে পর্দা বা ছাতার মতো রক্ষা করে বলে পৃথিবীতে জনজাতির বসবাস গড়ে  উঠতে পেরেছে। এই কারণে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে অবস্থিত স্তরটিকে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌর পর্দা বলা হয় ।     বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর বা প্রাকৃতিক সৌর পর্দা আছে বলে তা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে যা প্রাণী বসবাসের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু পৃথিবীতে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রাণী দের বিভিন্ন ক্রিয়া-কলাপ এর জন্য এই প্রাকৃতিক সৌর পর্দা বা ওজোন স্তর ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে।  মানুষের ক্রিয়া-কলাপ কিভাবে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌর পর্দা বিনাশ...

বায়ুমন্ডলে এরোসল এর গুরুত্ব নিরূপণ করো।

Image
    দশম শ্রেণীর ভূগোল বিষয়ের বায়ুমণ্ডল অধ্যায়ের ধূলিকণা বা এরোসল /Aerosol এর গুরুত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মাধ্যমিক পরীক্ষায় আসার মত এই প্রশ্নটির উত্তর সম্পর্কে বিশদভাবে নিচে বর্ণনা করা হলো।  এরোসল কি ?      বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হলো অ্যারোসল বা ধূলিকণা । বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরে অর্থাৎ ট্রপোস্ফিয়ারের এই উপাদানটি যথেষ্ট পরিমাণে বিরাজ করে। শুষ্ক মরু অঞ্চল, সমুদ্রতীরের ধুলোবালি, কলকারখানার পোড়া কয়লা, আগ্নেয়গিরি ও দাবানলের অতি সূক্ষ্ম ছাই, সমুদ্র জলের লবন কণা ধূলিকণা রূপে বাতাসে ভেসে বেড়ায় একে আমরা অ্যারোসল নামে চিনে থাকি । বায়ুমন্ডলে এই অ্যারোসলের যথেষ্ট গুরুত্ব আছে। বায়ুমন্ডলে এরোসল এর গুরুত্ব     বায়ুমণ্ডলে এরোসল একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা বিভিন্নভাবে বায়ুর স্তর বা বায়ুমন্ডলকে গঠন করতে সাহায্য করে। বায়ুমণ্ডলের অ্যারোসলের কয়েকটি গুরুত্ব সম্পর্কে নিচে লেখা হলো -  আমরা যে আকাশকে নীল দেখি তা বাতাসে এত পরিমান ধূলিকণা বা অ্যারোসল আছে বলেই তাকে আমরা নীল রঙের দেখতে পারি। বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা কে আশ্রয়...

বায়ুচাপ বলয় বলতে কী বোঝায় ?

Image
    বায়ুচাপ বলয় বলতে কী বোঝায় , এই প্রশ্নটিই দশম শ্রেণীর ভূগোল বিষয়ের বায়ুমণ্ডল অধ্যায় থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে এই প্রশ্নটিই এই পোস্টটিতে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব তার বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে ধারণা লাভ করব। বায়ুর চাপ কি ?      কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ বায়ুতে যখন তার বিভিন্ন উপাদানের পরিমাণ বেড়ে যায় অর্থাৎ তার ঘনত্ব যখন বেড়ে যায় তখন সে বায়ুর চাপ বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ বায়ুর উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় , আবার একই রকমভাবে যখন কোন কারনে কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ বায়ুতে তার বিভিন্ন উপাদান গুলি হ্রাস বা কমে যায় তখন সেই বায়ুর চাপ কমে যায়। বায়ুর ওজন বৃদ্ধি ও কমে যাওয়ার ঘটনাকে বায়ুর চাপ বলা হয় । বায়ুচাপ বলয় বলতে কী বোঝায় ?      বায়ুর বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে তার ওজন বাড়ে বা কমে তার ওজন বৃদ্ধি বা কমে যাওয়ার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর সমস্ত বায়ুমণ্ডল কে কটি নির্দিষ্ট বলয় বা সীমা দ্বারা ভাগ করা হয়েছে, এই সকল বলায় বা সীমা গুলিকে আমরা বায়ুচাপ বলয় বলে জানি।     পৃথিবীর উপরিভাগের কতগুলি নির্দিষ্ট স্থানে সারা বছর ধরে একই রকম ভাব...

প্রতীপ ঘূর্ণবাত অঞ্চলে শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করে কেন ?

Image
    প্রতীপ ঘূর্ণবাত অঞ্চলে শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করে কেন ? এই প্রশ্নটিই মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাসঙ্গিক। এই কারণেই এখানে প্রতীপ ঘূর্ণবাত অঞ্চলের শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হলো।  প্রতীপ ঘূর্ণবাত কি ?      হিম মন্ডল এবং নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের কোন অংশে অল্প পরিসরে জায়গাতে প্রচন্ড শীতের জন্য উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এর চারিদিকে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা ও চাপ দুই ই কম থাকে। তখন ওই উচ্চচাপের শীতল ও শুষ্ক বায়ু চারিদিকের নিম্নচাপ অঞ্চলের অভিমুখে কুণ্ডল আকারে প্রবাহিত হতে থাকে। এইরকম কেন্দ্র বহির্মুখী ও নিম্নমুখী ঘূর্ণি যুক্ত বায়ু কে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলে ।  প্রতীপ ঘূর্ণবাত অঞ্চলে শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করার কারণ।     উপক্রান্তীয় অঞ্চলে অনেক সময় ধীরগতিসম্পন্ন ও কম শীতল প্রতীপ ঘূর্ণবাত এর উৎপত্তি হয় এর ফলে শান্ত ভাব বিরাজ করে । প্রতিপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ এবং বাইরে নিম্নচাপ থাকে তার ফলে এই অঞ্চলে শান্তভাবে র সৃষ্টি হয়। এই বায়ুর প্রভাবে ঝড় বৃষ্টি হয় না আকাশ পরিষ্কার থাকে ...

পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চলে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ কি ?

Image
    পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চলে উচ্চচাপ বলয় সৃস্টির কারন কি এই প্রশ্নটিই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তাই এখানে প্রশ্নটির উত্তর যথাযথভাবে ও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হলো। উচ্চচাপ বলয় কি ?      কোন নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট পরিমাণ বায়ুতে যদি বায়ুর কণা গুলি বেশি পরিমাণে অবস্থান করে তখন সেই স্থানে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয় অর্থাৎ বায়ুর ওজন বৃদ্ধি পায়। পৃথিবীর কিছু নির্দিষ্ট স্থানে এ ধরনের উচ্চচাপ যুক্ত বায়ু অবস্থান করে এই সকল অঞ্চল স্থানকে উচ্চচাপ বলয় বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চলে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ কি ?     সাধারণত পৃথিবীর উপর গোলার্ধে 80° থেকে 90 ডিগ্রি অক্ষাংশের মধ্যে মেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয় দুটি অবস্থান করে। এই বায়ুচাপ বলয় কে উত্তর গোলার্ধে সুমেরু উচ্চচাপ বলয় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে কুমেরু উচ্চচাপ বলয় নামে চিহ্নিত করা হয়েছে।  উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ :      যেসকল কারণের জন্য পৃথিবীর এই দুই মেরু অঞ্চলে বায়ুর উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় সে সকল কারণগুলি নিচে লেখা হলো -  সূর্য রশ্মি এখানে খু...

আমি দেখি কবিতার বড় প্রশ্ন ও উত্তর আলোচনা - দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের সাজেশন ২০২১

Image
    দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের চতুর্থ কবিতা আমি দেখি , এই কবিতা থেকে যেসকল প্রশ্নগুলি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাতে বারবার আসে বা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো। তুমি যদি একজন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী হও তবে আমি দেখি এই কবিতা থেকে আলোচিত করা প্রশ্নগুলি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।       শক্তি চট্টোপাধ্যায় রচিত আমি দেখি কবিতাটি তার বিখ্যাত অঙ্গুরী তোর হিরণ্য জল কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া। এই কবিতা থেকে প্রশ্ন গুলি পড়ার আগে এর প্রেক্ষাপট ও বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটু ধারনা নিয়ে নেওয়া যাক। আমি দেখি কবিতার প্রেক্ষাপট :        সভ্যতার সৃষ্টির পর থেকে ধীরে ধীরে তার উন্নতি শুরু হয়েছে এ কথা যেমন আমরা অস্বীকার করতে পারি না তেমনি সভ্যতার নির্মম কার্যকলাপ কেউ আমরা অস্বীকার করতে পারি না। সভ্যতার এই উন্নতির পিছনে কিভাবে যে প্রকৃতি তার জীবনকে বলিদান দেয় তা আমরা বুঝতে পারি না। পৃথিবীতে সভ্যতার যত বিস্তার ঘটেছে প্রকৃতি তত ছোট হতে শুরু করেছে।     একটি বিখ্যাত কবিতা সূত্রে বলা যায় পৃথিবীটা নাকি কমলালেবুর মতো ছোট...