Posts

বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যে ‘প্রার্থনা’ কি ? বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যে প্রার্থনা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি - pdf

Image
    বৈষ্ণব পদাবলীতে প্রার্থনা পর্যায় যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এবং এই অধ্যায়ে থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী লেভেল এ প্রশ্ন হয়ে থাকে। বৈষ্ণব পদাবলীতে প্রার্থনা পর্যায় শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে এখানে আমরা আলোচনা করলাম।  বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যে ‘প্রার্থনা’ কি ?     বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যে ‘ প্রার্থনা ’ হল ব্যক্তি চরিত্রের স্বরূপ নির্ণয়ের প্রয়াস। এগুলি আত্মকথনমূলক পদ। ‘ প্রার্থনা ’ শীর্ষক পর্যায় নানা দিক থেকে একটি উল্লেখযোগ্য বিশিষ্ট রসপর্যায়। প্রধানত ভক্তিরস এই পর্যায়ের মূল বৈশিষ্ট্য। গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায় রসশাস্ত্র অনুযায়ী পঞ্চরসের তত্ত্ব স্বীকার করলেও বাস্তবে তাঁদের ‘ দাস্যভাব ’ এর প্রতি অনীহা দেখা যায়। দাসভাবে ভগবানকে প্রভুরূপে উপাসনা করা হয়, অতএব এই ভাবের উপাসনায় ভগবানের ঐশ্বর্য রূপই প্রকটিত হয়।   Educostudy.in/প্রার্থনা   কিন্তু গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ মূলত মধুর রসের সাধক বলেই তাঁরা ভগবানের ঐশ্বর্যভাবকে কখনো কামনা-বাসনা বিসর্জন দিয়ে ভক্ত একান্ত নিষ্ঠায় তাঁর কাছে আত্মসমর্পন করে থাকেন এবং মুক্তির কামনা প্রকাশ করেন। ভক্ত এবং ভগবানের মধ্যে এরূপ অবস্থার মধ্যেই...

হুতুম পেঁচার নকশা তে লেখক কিভাবে কলকাতার সমাজ চিত্র তুলে ধরেছে

Image
    দশম শ্রেণির ইতিহাসে হুতুম প্যাঁচার নকশা বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ও টিকা আকারে পরীক্ষাতে আসে। এই কারণে এখানে হুতুম প্যাঁচার নকশা ও তৎকালীন কলকাতার সমাজ চিত্র সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করা হলো।  Educostudy.in/ হুতোম-প্যাঁচার-নকশা হুতুম পেঁচার নকশা      কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত হুতোম প্যাঁচার নকশা নামক ব্যঙ্গ মূলক রচনা থেকে কলকাতার বিত্তবান নববাবু সমাজের বিলাসব্যসন ও স্বার্থপরতার কথা জানা যায়। হুতুম পেঁচার নকশা থেকে তৎকালীন কলকাতার বাবু সমাজের চিত্র, বাবু স্বভাব ও অভ্যাসের কথা আমরা জানতে পারি।  হুতুম প্যাঁচার নকশা তে কলকাতার সমাজ চিত্র     কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত হুতুম পেঁচার নকশা গ্রন্থটি তে তৎকালীন কলকাতার সমাজের যে সকল দিক গুলি ধরা পড়েছে তা নিচে লেখা হলো -  বাবু সংস্কৃতি -   ব্যবসা বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী এবং গ্রাম থেকে কলকাতায় চলে আসা জমিদারেরা যে বিলাসবহুল এবং দেখনদারি সংস্কৃতি সূচনা করেছিল তা হুতুম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থের বাবু সংস্কৃতি নামে ফুটে উঠেছে।  সমাজ বিন্যাস -    ইংরেজ শাসন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের স...

বৈষ্ণব পদাবলীতে নিবেদন কি ও নিবেদন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে আলোচনা করো - pdf

Image
    বৈষ্ণব পদাবলীতে নিবেদন পর্যায় এবং নিবেদন পর্যায়ের সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করা হলো। বৈষ্ণব পদাবলী তে নিবেদন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। যেখানে রাধার আত্মার নিবেদন কৃষ্ণ তে সর্বস্ব দানে পুষ্পাঞ্জলি ধারণ করেছে। এই পোস্ট টিতে বৈষ্ণব পদাবলীতে নিবেদন পর্যায় এবং নিবেদন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।  বৈষ্ণব পদাবলীতে নিবেদন কি বৈষ্ণব পদাবলীতে নিবেদন মধুর রসপর্যায়েরই একটি স্তর বিশেষ। বৈষ্ণব রসশাস্ত্রে নিবেদন কোন পৃথক পর্যায় হিসাবে চিহ্নিত নয়। অনুরাগ পর্যায়ের একটি স্বতন্ত্র স্তর হিসাবে এটি পৃথক মর্যাদা পেয়েছে। আক্ষেপানুরাগে যে বিচ্ছেদের সুর মিলনের মধ্যেও বাজতে থাকে নিবেদনে তা দূরে চলে গিয়ে এক পরিপূর্ণ আত্মসমর্পন প্রকাশিত হয়।     পুর্বরাগে হৃদয়মথিত বেদনার সুর, মিলনের আনন্দেও প্রেমবৈচিত্ত্যের সশঙ্ক বেদনা, আক্ষেপানুরাগে সমাজ-পরিবার-প্রেমের দ্বন্দ্বে ক্ষতবিক্ষত সত্তার আর্ত হাহাকার, বিরহ পর্যায়েও সেই অনির্বান বেদনাধারার অবিরল প্রবাহ শেষপর্যন্ত নিবেদনের পদে রাধার অশ্রুস্রোতস্বিনী রূপে কৃষ্ণ সমুদ্রের মাঝখানে বিলীন হয়ে যায়।   এই সমর্পনেই রাধার শান্...

হিন্দু পেট্রিয়ট পত্রিকা কিভাবে নীলকরদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলেছিল

Image
   মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিন্দু পেট্রিয়ট পত্রিকা কিভাবে নীলকরদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলেছিল, এই question জন্য উপযুক্ত উত্তর নিচে আলোচনা করা হলো। প্রশ্নটি নম্বর অনুযায়ী উত্তর লিখতে হবে। হিন্দু পেট্রিয়ট পত্রিকা   ব্রিটিশ যুগে ভারতবাসীরা বিভিন্নভাবে ব্রিটিশ বিরোধী হয়ে উঠতে চাই তো। ব্রিটিশবিরোধী একজোট হয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম গঠন করে ব্রিটিশদের বিরোধিতা কত বাঙালি জনসমাজ। এই সকল জনমত গড়ে তোলার পিছনে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও থিয়েটারের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইরকমভাবে তৎকালীন সময়ে নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে সমস্ত বাঙালিকে একজোট করতে হিন্দু পেট্রিয়ট পত্রিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।  Educostudy.in/হিন্দুপেট্রিয়ট পত্রিকা     ব্রিটিশ বিরোধী জনমত গড়ে তোলার জন্য হিন্দু পেট্রিয়ট পত্রিকা যে সকল ভূমিকা গুলি গ্রহণ করেছিল তার নিচে আলোচনা করা হলো -  ব্রিটিশ বিরোধী জনমত গঠনে হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার ভূমিকা  শোষণ -  নীলচাষের সময়ে নীলচাষীদের যেভাবে অত্যাচারিত করা হতো সেই সকল শোষণের কাহিনী হিন্দু প্যাট্রিয়ট...

বৈষ্ণব পদাবলীতে মাথুর কি ? মাথুর পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে আলোচনা করো - pdf

Image
    বৈষ্ণব পদাবলীর মাথুর পর্যায় বৈষ্ণব কবিরা যেভাবে রাধার আত্ম ক্রন্দন আর আত্মনিবেদন বর্ণনা করেছেন তাতে মাথুর পর্যায় টি বৈষ্ণব পদাবলীতে মূল রসের সঞ্চার ঘটিয়েছে। এ পর্যায়ে রাধা কৃষ্ণ বিরহে যেন মত্ত দাদুরী হয়ে উঠেছে। বৈষ্ণব পদাবলীতে মাথুর কি এবং মাথুর পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি নিয়ে এখানে বিশদভাবে আলোচনা করা হলো।  বৈষ্ণব পদাবলীতে মাথুর কি ?      বৈষ্ণব সাহিত্যে ভাবী, ভবন ও ভূত মিলিয়ে যে দূর প্রবাস তাকে মাথুর বলা হয়েছে। পূর্বে মিলিত নায়ক-নায়িকার কেউ যদি অন্যত্র চলে যান, তবে তাঁর অভাবে বিরহ সৃষ্টি হয়। নায়ক-নায়িকার দেশান্তর জনিত ব্যবধানকে প্রাজ্ঞগণ প্রবাস নামে অভিহিত করে থাকেন। বৈষ্ণব রসশাস্ত্রে যাকে প্রবাস বলা হয়েছে, পদাবলী সাহিত্যে তাকেই মাথুর নামে অভিহিত করা হয়েছে। কৃষ্ণ মথুরায় চলে গেলে আর ফিরে না আসার পরিণামে তাঁর সঙ্গে শ্রীমতী রাধার যে চিরবিচ্ছেদ, যার ফলে রাধা এবং কৃষ্ণপ্রাণ গোপীদের অন্তরে বিরহজ্বালা সৃষ্টি হয়েছে, সেই দূর প্রবাসজনিত বিপ্রলম্ভ শৃঙ্গারের নাম মাথুর। বৈষ্ণব পদাবলীতে মাথুর পর্যায়ের  তত্ত্বগত পরিচয় মাথুর বিরহ পর্যায়েরই একটি অবস্থা। ব...

বৈষ্ণব পদাবলীতে ভাবোল্লাস ও ভাবসম্মিলন কি ? ভাবোল্লাস ও ভাবসম্মিলন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে আলোচনা করো- pdf

Image
     বৈষ্ণব পদাবলীতে যথারীতি পূর্বরাগ , অভিসার ও আক্ষেপানুরাগ এর পরবর্তীতে রাধার ভাবসম্মিলন পর্যায়টি চিত্রিত হয়েছে। এই পর্বটি বৈষ্ণব পদাবলীতে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। রাধা এবং কৃষ্ণের মিলনে যেভাবে রুলার সৃষ্টি হয়েছে বৈষ্ণব পদাবলীর কবিরা তাকে সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন। তাই আমরা এখানে ভাবসম্মিলন ও ভাবোল্লাস কি এবং ভাবসম্মিলন ও ভাবোল্লাস পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে আলোচনা করব। ভাবোল্লাস ও ভাবসম্মিলন কি ?      বৈষ্ণব রসশাস্ত্রে শৃঙ্গার বা মধুররসের দুটি প্রধান বিভাগ – বিপ্রলম্ভ সম্ভোগ বৈষ্ণব সাহিত্যের বিপ্রলম্বের চার পর্যায়ের পর সম্ভোগের স্থান। সম্ভোগের সংজ্ঞা সম্বন্ধে বলা হয় – “দর্শনালিঙ্গনাদীনামানুকূল্যানিম্নষেবয়া যুনোরুল্লাসমারোহন্‌ ভাবঃ সম্ভোগ ইর্ষ্যতে।।” অর্থাৎ দর্শন আলিঙ্গনাদির দ্বারা নায়ক-নায়িকার যে ভাবোল্লাস তাকেই সম্ভোগ বলে। সম্ভোগের প্রধান দুটি ভাগ – মুখ্য ও গৌণ । জাগ্রত অবস্থায় মুখ্য সম্ভোগ চারভাগে বিভক্ত – সংক্ষিপ্ত সংকীর্ণ সম্পন্ন সমৃদ্ধিময়। পূর্বরাগের পর মিলন হয় সংক্ষিপ্ত সম্ভোগ । ভয়, লজ্জা, সহিষ্ণুতা ইত্যাদি কারণে নায়ক-নায়িকার...

বৈষ্ণব পদাবলীর আক্ষেপানুরাগ কি ? আক্ষেপ অনুরাগ এর শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে আলোচনা করো - pdf

Image
   বৈষ্ণব পদাবলীর রস পর্যায়ের মধ্যে অতি উল্লেখযোগ্য একটি পর্ব হল আক্ষেপানুরাগ । কারণ যেখানে প্রেম আছে সেখানে আক্ষেপ হৃদয় থেকে উত্থিত হবে তাতে আর ব্যতিক্রম কিসের। তাই বৈষ্ণব পদাবলীতে আক্ষেপানুরাগ ও আক্ষেপ অনুরাগ এর শ্রেষ্ঠ কবি সম্পর্কে এখানে বিশদভাবে আলোচনা করা হলো । বৈষ্ণব পদাবলীতে আক্ষেপ অনুরাগ কি ?       গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শন অনুযায়ী সচ্চিদানন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সৎ, চিদ্‌ ও আনন্দ - এই তিনটি শক্তির সমাহার। তিনি অখিল রসামৃতসিন্ধু বলেই লীলাময়। এই লীলার প্রয়োজনেই তিনি তাঁর হ্লাদিনী শক্তিকে স্বেচ্ছায় বিচ্ছিন্ন করেন। বিচ্ছিন্ন সেই হ্লাদিনী শক্তিরই বহিঃপ্রকাশ শ্রীমতী রাধাঠাকুরানী। তাই রাধা ও কৃষ্ণ প্রকৃতপক্ষে ভেদাভেদশূন্য-‘ একমেদ্বিতীয়ম ’। বৈষ্ণবরা মনে করেন রাধার সঙ্গে কৃষ্ণের প্রেমলীলা আসলে নিজের আনন্দশক্তির সঙ্গে পরমাত্মার নিজের লীলা। এই লীলাকে বলা হয় মধুর রসের লীলা। এই মধুর রসের দুটি বিভাগ - বিপ্রলম্ভ সম্ভোগ সম্ভোগের পাঁচটি বিভাগ - পূর্বরাগ অভিসার মান প্রেমবৈচিত্ত্য প্রবাস প্রেমবৈচিত্ত্যের আবার চারটি ভাগ- উল্লাসানুরাগ আক্ষেপানুরাগ রূপানুরাগ রসোদ্গার প্রেমবৈচ...