Posts

Showing posts from August, 2020

নারী সমাজের উত্থানে বামাবোধিনী পত্রিকার প্রতিষ্ঠা ও অবদান আলোচনা করো।

Image
      আধুনিক ভারতের ইতিহাসে বামাবোধিনী পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম এই বামাবোধিনী পত্রিকা কে ঘিরে আধুনিক ইতিহাসের নারীদের অবদান উল্লেখযোগ্য হয়ে আছে। মাধ্যমিক ইতিহাসের এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাই এখানে বামাবোধিনী পত্রিকার গুরুত্ব সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা হলো।  বামাবোধিনী পত্রিকা       ১৯ শতকে বাংলার সমাজের বিকাশে যে সকল পত্র-পত্রিকা গুলি গুরুত্বপূর্ণ ছিল তাদের মধ্যে বামাবোধিনী একটি উল্লেখযোগ্য পত্রিকা। বিশিষ্ট সমাজ নেতা উমেশচন্দ্র দত্ত নারী সমাজের উন্নয়নের জন্য বামাবোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সভার মুখপাত্র রূপে তিনি বামাবোধিনী পত্রিকা নামে একটি মাসিক পত্রিকা নারী সমাজের উন্নতির জন্য প্রকাশ করেন। এই বামাবোধিনী পত্রিকা [ ১৮৬৩] থেকে আমরা তৎকালীন সমাজের নারীদের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারি যেমন -  শিক্ষার দাবি ::   নারী সমাজে শিক্ষার প্রয়োজন ছিল তা 19 শতকে এই পত্রিকার মাধ্যমে তুলে ধরা হলো। নারী সুশিক্ষিত হলে সে অনায়াসে সুগৃহিনী বা সুমাতা রূপে পরিণত হতে পারে। বামাবোধিনী পত্রিকার মধ্য দিয়ে নারীদের শিক্ষার দাবিক...

দ্বাদশ শ্রেণীর নানা রঙের দিন নাটকের বড় প্রশ্ন উত্তর সাজেশন 2021

Image
      দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের পাঠ্য নানা রঙের দিন নাটক থেকে যেসকল বড় প্রশ্নগুলির পরীক্ষা তে আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেই সকল প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হলো। দ্বাদশ শ্রেণীর এই নানা রঙের দিন নাটকের সাজেশন প্রশ্ন উত্তর গুলি তুমি এখান থেকে খাতায় লিখে নিতে পারো।  নানা রঙের দিন নাটকের প্রশ্ন উত্তর নানা রঙের দিন নাটকের বিষয়বস্তু        নানা রঙের দিন নাটকের অন্যতম এবং প্রধান চরিত্র রজনীকান্ত বাবু তার জীবনের উত্থান ও পতনের সাক্ষী হয়ে নাটকে তার বক্তব্য তুলে ধরেছেন। প্রতিটি প্রাণীর জীবনে শৈশব, যৌবন ও বার্ধক্য এই তিনটি দশা বাঞ্ছনীয় ভাবে এসে থাকে। রজনী বাবুর জীবনে যখন যৌবন ঠিক তখন তিনি নাটকে ভালোবেসে ছিলেন। নানা রঙের দিন নাটকের প্রশ্ন উত্তর     তার নাটকের প্রতিভা ছিল তীরের ফলার মতো ধারালো, যা দেখে তার প্রেমিকা তার প্রেমে পড়েছিল। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রেমিকার বাবা বলেছিল তার মেয়েকে বিয়ে করতে হলে নাটক ছাড়তে হবে। কিন্তু রজনী বাবু নাটক কে ছাড়তে পারবেন না প্রেমকে পরিত্যাগ করতে পারলেও। সুতরাং তার জীবনে নাটক বড়ো হয়...

বিভাব নাটকের বড় প্রশ্ন ও উত্তর।

Image
    উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা বিষয়ের বিভাব নাটকটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। বিভাব নাটকের বড় প্রশ্ন ও উত্তর সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হলো। বিভাব নাটক থেকে যেসকল বড় প্রশ্ন গুলি উচ্চমাধ্যমিক বাংলা বিষয়ের জন্য নির্বাচিত বা গুরুত্বপূর্ণ শুধু সেগুলো নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো। অর্থাৎ দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের বিভাব নাটকের এই প্রশ্নগুলি পড়লে তুমি যথাযথভাবে উত্তর লিখতে পারবে।  বিভাব নাটকের বড় প্রশ্ন ও উত্তর বিভাব নাটকের বিষয়বস্তু       সমাজ জীবনে অভাব থেকে বিভাব নাটকের জন্ম হয়েছে বলে নাট্যকার শম্ভু মিত্র আমাদের জানিয়েছেন। অনেকদিন ধরে থিয়েটার না চলার জন্য নাট্যকার সহ বৌদি ও অমর গাঙ্গুলী নামে একটি চরিত্র ব্যক্তি জীবনে সাধারণ হাসির খোরাক এর জন্য খুঁজতে চেষ্টা করেছে একটু অভিনয়।  বিভাব নাটকের বড় প্রশ্ন ও উত্তর     তাদের তিনজনের ধারণা অভিনয়ের মাধ্যমে জীবনে একটু হাসির খোরাক আনা যেতে পারে। সেই কারণে তারা একটি লাভ সিন করার পরিকল্পনা করে। নাটকটিতে আমরা এরকম দুটি লাভ সিন দেখতে পারি। কিন্তু সামান্য হাসি যোগান দিতে গিয়ে এই লাভ সিন দুটিও সার্থকভ...

ক্রন্দনরতা জননীর পাশে কবিতার বড় প্রশ্ন ও উত্তর

Image
     মৃদুল দাশগুপ্তের অন্যতম কবিতা " ক্রন্দনরতা জননীর পাশে " কবিতা থেকে যে সকল বড়ো প্রশ্ন গুলি দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেই সকল বোরো প্রশ্ন গুলি সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হলো -    কবিতাটির বড়ো প্রশ্ন নিয়ে উত্তর আলোচনার পূর্বে আমরা কবিতার প্রেক্ষাপট ও কবিতার বিষয় বস্তু নিয়ে আলোচনা করে নেব।। "ক্রন্দনরতা জননীর পাশে" কবিতার প্রেক্ষাপট       আধুনিক যুগের অন্যতম কবি মৃদুল দাশগুপ্ত " ক্রন্দনরতা জননীর পাশে "  কবিতা খানি রচনা করেছিলেন ২০০৬ সালের সিঙ্গুর আন্দোলন কে কেন্দ্র করে। হুগলি জেলার সিঙ্গুর নামক স্থানে কৃশকদের প্রতি অত্যাচারের প্রতিবাদে তিনি এই কবিতা খানি রচনা করেছিলেন।  "ক্রন্দনরতা জননীর পাশে"  কবিতার বিষয়বস্তু      কবি মৃদুল দাশগুপ্ত জন্মভূমিকে মায়ের সাথে তুলনা করেছেন। " ক্রন্দনরতা জননীর পাশে " কবিতায় কবি যেনো তার এই মাত্রই ভূমির প্রতি দ্বায়বদ্ধ, সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বার বার সাধারণ মানুষকে তার জীবন বিপন্ন করতে হয়। এই পরিণতিতে লেখক হিসাবে তিনি নিজেকে মাতৃ স্বরূপ জন্মভূমির পেজ দাড়াত...

নীল বিদ্রোহ সম্পর্কে সমকালীন শিক্ষিত বাঙালি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল।

Image
    আধুনিক ভারতের ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, নীল বিদ্রোহ সমকালীন শিক্ষিত সমাজ এই বিদ্রোহ সম্পর্কে সমর্থন ও সমালোচনা করেছিল। আমরা এই প্রশ্নটিতে সেই উত্তর নিয়ে আলোচনা করব যে নীল বিদ্রোহ সম্পর্কে সমকালীন স্ত্রীর শিক্ষিত সমাজের মনোভাব কেমন ছিল। নীল বিদ্রোহ :      ১৮৫৯ সালে নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সমস্ত বাংলাদেশের কৃষকরা একতাবদ্ধ হয়ে কৃষ্ণনগরের চৌগাছা গ্রামে বিদ্রোহ শুরু করে। এই বিদ্রোহে প্রায় 60 লক্ষ কৃষক বর্ষা তরবারি লাঠি, ঢাল ইত্যাদি নিয়ে শামিল হয়েছিল।     নীল বিদ্রোহের আগুন নদিয়া, যশোর, পাবনা, ফরিদপুর, রাজশাহী-খুলনা, মালদা, দিনাজপুর, বারাসাত, মুর্শিদাবাদ ইত্যাদি জেলাগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছিল। অবস্থা খারাপ দেখে ইংরেজ সরকার একাদশ আইন পাস করে বিদ্রোহ দমনে সচেষ্ট হয়েছিল। নীল বিদ্রোহ সম্পর্কে সমকালীন শিক্ষিত বাঙালি সমাজের মনোভাব      নীলচাষীদের বিরুদ্ধে নীলকর সাহেবদের চরম অত্যাচার সীমা ছাড়ালে তা নীল বিদ্রোহে রূপ নেয়। ধীরে ধীরে যখন এই বিদ্রোহের আগুন তীব্র হয়ে উঠেছিল তখন বিভিন্ন বাঙালি শিক্ষিত সমাজ তাদের সমর্থ...

বসু বিজ্ঞান মন্দির সম্পর্কে টীকা লেখ।

Image
     মাধ্যমিক আধুনিক ইতিহাসের একটি বিশেষ অধ্যায় হলো বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ ।আসলে এই পর্ব থেকে বাঙ্গালীদের বিভিন্ন বিজ্ঞান সাহিত্য ইত্যাদি রচনা যাত্রা শুরু হয়েছিল। আমরা আজ এখানে বাঙালি দের অন্যতম বিজ্ঞান মূলক প্রতিষ্ঠান বসু বিজ্ঞান মন্দির সম্পর্কে চার মার্কের মত আলোচনা করব। বসু বিজ্ঞান মন্দির কি ?      ১৯১৭ সালে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মৌলিক গবেষণার উদ্দেশ্যে একটি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন যাকে বোস ইনস্টিটিউট বা বসু বিজ্ঞান মন্দির বলা হয়ে থাকে। ইংরেজ শাসন কালে বাংলার বুকে যে সকল শিক্ষা চর্চা কেন্দ্র বা বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র গড়ে উঠেছিল তার মধ্যে বোস ইনস্টিটিউট বা বসু বিজ্ঞান মন্দির একটি উল্লেখযোগ্য অন্যতম প্রতিষ্ঠান।     এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার জন্য বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু তার পূর্ববঙ্গের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে তার অর্থ ব্যয় করেন। তার উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন দেশের আধুনিকতম জ্ঞান এর পীঠস্থান হিসেবে এই বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র কে তুলে ধরা। এই প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা যেমন - মাইক্রো বায়োলজি, ব...

হিন্দু মেলা সম্পর্কে টীকা লেখ।

Image
    মাধ্যমিক ইতিহাস বিষয়ের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো হিন্দু মেলা । হিন্দু মেলা বিষয়টি থেকে সাধারণত টীকা লেখার জন্য প্রশ্ন এসে থাকে। সুতরাং এখানে আমরা হিন্দু মেলা সম্পর্কে মাধ্যমিকে ইতিহাসের জন্য আসা টিকা বিষয়ের জন্য আলোচনা করব। টীকা লেখ "হিন্দু মেলা"      ১৮৬৭ সালে রাজনারায়ণ বসু এবং নবগোপাল মিত্রের সহায়তায় চৈত্র সংক্রান্তির দিন কলকাতায় হিন্দু মেলা নামে একটি সামাজিক সংগঠন গড়ে ওঠে। চৈত্র মাসের দিন গড়ে উঠেছিল বলে একে অনেকে চৈত্র মেলা বলে থাকেন। দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে হিন্দু মেলার প্রথম বার্ষিক সভায় এবং পরবর্তী সময়ে জ্ঞানেন্দ্র নাথ ঠাকুরের গাও ভারতের জয় গানটি কে গ্রহণ করা হয়।  পড়ে এই গান টি দেশপ্রেমিকদের জাতীয় সংগীত হয়ে ওঠে।      হিন্দুমেলার যে সকল সদস্যবৃন্দ ছিলেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল - রাজনারায়ণ বসু, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর, পিয়ারী চরণ সরকার, রাজা কমল কৃষ্ণ বাহাদুর, এবং গিরিশচন্দ্র ঘোষের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ।     বাংলার বুকে যে সমস্ত সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল তার মধ্...

ছাপাখানার বিস্তার ও শিক্ষার প্রসারের সম্পর্ক সমানুপাতিক - আলোচনা করো

Image
      মাধ্যমিক ইতিহাসের ছাপাখানা বিস্তারে ছাপাখানার বিস্তার ও প্রসারের সম্পর্ক সমানুপাতিক এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক এ প্রশ্নটি দেওয়া আছে। এই জন্য এই আর্টিকেলটিতে আমি ছাপাখানার বিস্তার ও শিক্ষার সম্পর্ক যে সমানুপাতিক সে সম্পর্কে আলোচনা করলাম। ছাপাখানার বিস্তার ও শিক্ষার প্রসার কি সমানুপাতিক ? আলোচনা করো।     আধুনিক ভারতের শুরু হয়েছিল ১৮ শ শতাব্দীর শুরুতে। এই সময়ে এসে ভারতবর্ষের বুকে সবথেকে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগে ছিল ছাপাখানার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে। ছাপাখানা বলতে আমরা বুঝি মুদ্রণ শিল্প কে। এই মুদ্রণ শিল্প আমাদের দেশে আসার আগে যে কোন গ্রন্থকে মুনসিদের দিয়ে লিখিয়ে নিতে হতো টাকার বিনিময়ে।     অর্থাৎ সেই লেখানো বই বা সংবাদপত্রগুলি ছিল সংখ্যায় অনেক কম। এই কারণে মুদ্রণ শিল্প বা ছাপাখানা আবিষ্কার এর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন পাঠ্যবস্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশি পরিমাণে ছড়িয়ে যেতে লাগল।     আগে যেখানে হাতে লেখা পত্র-পত্রিকা মানুষের মাঝে বেশি পরিমাণে পৌঁছাতে পারতো না সেখানে অনেক কম খরচে বেশি মাত্রায় এইসকল...

ভারত মাতার চিত্র কিভাবে পরাধীন ভারতের জাতীয়তাবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

Image
     ভারতের জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভারতমাতা চিত্রখানি পরাধীন ভারতে জাতীয়তাবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। বিভিন্ন কারণে সমস্ত ভারতবাসী সম্মিলিতভাবে বিভিন্ন আন্দোলনের যুগে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা ভারতমাতা চিত্র খানি কে পরাধীন ভারতের একমাত্র জাতীয়তাবাদের প্রতীক হিসাবে তুলে ধরেছিল।     যেহেতু মাধ্যমিক ইতিহাসের বিষয়বস্তু হিসেবে ভারতমাতা চিত্র বিষয় টি গুরুত্বপূর্ণ তাই এই প্রশ্নটির উত্তর এখানে যথাযথভাবে লেখা হলো। ভারতমাতা চিত্র কিভাবে পরাধীন ভারতের জাতীয়তাবাদের প্রতীক হয়ে উঠলো।       ইউরোপীয় ইতিহাসে নবজাগরণের মতো ভারতীয় ইতিহাসে নবজাগরণ ঘটেছিল। ইউরোপের ইতিহাস কে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিভিন্ন অর্থনীতিবীদ, বিভিন্ন চিত্রকরের প্রকাশিত হওয়া বই ও বিভিন্ন ছবিকে ঘিরে নবজাগরণের বিকাশ ঘটেছিল। ঠিক একই রকম ভাবে পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও চিত্র ভারতীয়দের একতাবদ্ধ হতে সাহায্য করেছিল। এই সকল চিত্রের মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি চিত্র ছিল অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা ভারতমাতা চিত্র টি।  ভারতমাতা চিত্র টি পরাধীন ভারতের জাতীয়তাবাদের প্রত...

নারী ইতিহাস চর্চার প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে আলোচনা করো।

Image
      ইতিহাস সমাজের কথা বলে , এই অর্থে সমাজে বসবাসকারী নারী-পুরুষ উভয়ই এবং তাদের রীতিনীতি ইতিহাসের অঙ্গ। এই কারণে ইতিহাসে যেমন পুরুষদের ভূমিকা আছে, ঠিক একই রকমভাবে ইতিহাসের বিষয় হিসাবে নারীরাও প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসে নারীদের তেমন কোনও প্রাসঙ্গিকতা দেখতে না পেলেও আধুনিক যুগে এসে নারীদের প্রভূত উন্নতি ঘটেছে। এবং পরবর্তী আধুনিক যুগের নারীদের মধ্যে চেতনা গড়ে তোলার জন্য ইতিহাসে নারী ইতিহাস চর্চার প্রাসঙ্গিকতা গুরুত্ব পেয়েছে। নারী ইতিহাস চর্চার প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে আলোচনা     মানব সমাজের যা কিছু সৃষ্টি তার অর্ধেক দাবিদার পুরুষ ও অর্ধেক দাবিদার নারী । কিন্তু প্রাচীন যুগের ইতিহাস ও মধ্যযুগের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সেখানে নারীদের গুরুত্ব কে বারবার অস্বীকার করা হয়েছে।      কিন্তু সমাজের প্রয়োজনে এবং সামাজিক সংস্কৃতি অনুযায়ী নারীদের যে যথেষ্ট গুরুত্ব আছে সেই প্রসঙ্গ কে আমরা আধুনিক ইতিহাসে এড়িয়ে যেতে পারি না। এই কারণে আধুনিক ইতিহাস মাটির স্তর থেকে শুরু করে রাজ রাজাদের কাহিনী পর্যন্ত কে বর্ণনা করে থাকে।...

বায়ুমন্ডলের উষ্ণতার তারতম্যের নিয়ন্ত্রক হিসেবে স্থলভাগ জলভাগ এবং নগরায়ন ও শিল্পায়নের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

Image
     সমস্ত পৃথিবী উত্তপ্ত হওয়ার একমাত্র মাধ্যম হলো সূর্য রশ্মি অর্থাৎ সূর্য দ্বারা পৃথিবীর উষ্ণতা পেয়ে থাকে। কিন্তু পৃথিবীর সকল স্থান একই রকম ভাবে উত্তপ্ত হয় না বা পৃথিবীর সমস্ত স্থানে সমান উষ্ণতা বিরাজ করে না। বায়ুমণ্ডলের এই উষ্ণতার তারতম্যের নিয়ন্ত্রক হিসেবে স্থলভাগ ও জলভাগের বন্টন এবং নগরায়ন ও শিল্পায়নের যথেষ্ট ভূমিকা আছে।     আমাদের প্রশ্ন অনুসারে বায়ুমন্ডলের উষ্ণতার তারতম্যের নিয়ন্ত্রক হিসেবে স্থলভাগ ও জলভাগের বন্টন এবং নগরায়ন ও শিল্পায়নের ভূমি কা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো। বায়ুমন্ডলের উষ্ণতার তারতম্য কি ?      পৃথিবীতে সমস্ত স্থান বা সমস্ত বায়ুমণ্ডল এর উষ্ণতা একই রকম হয় না, পৃথিবীর এক একটি স্থানের উষ্ণতা বা তাপমাত্রা এক এক রকম হয়ে থাকে এই ঘটনাকে বলা হয় বায়ুমন্ডলের উষ্ণতার তারতম্য । যেমন পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার সঙ্গে উত্তরের দার্জিলিংয়ের যথেষ্ট তাপমাত্রার পার্থক্য থাকে, এই ঘটনাটি হল বায়ুমন্ডলের উষ্ণতার তারতম্য। স্থলভাগ ও জলভাগের বন্টন :       যে সকল বিষয় গুলোর জন্য পৃথিবীতে বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা...