Posts

পালামৌ গ্রন্থে লেখক এর যাত্রাপথের বর্ণনার পরিচয় দাও।

Image
   পালামৌ  সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি উল্লেখযোগ্য ভ্রমণ সাহিত্য । একদা পালন পরগনার নাম শুনে সঞ্জীবচন্দ্র তাকে সাহেব সমাকীর্ণ একটি স্থান বলে মনে মনে আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর জন্য তিনি যেভাবে আয়োজন সমাহারে উপস্থিত হয়েছেন তাতে তার বর্ণনারীতির গুণ আরো বেশি ধরা পড়েছে। পালামৌ গ্রন্থে লেখক এর যাত্রাপথের বর্ণনার পরিচয় দাও।    একদা ডাক হরকরা নামক পত্রিকায় পালামৌ পরগনা থেকে প্রকাশিত হতো এ কথা লেখক শুনেছিলেন তখন থেকেই তিনি অনুমান করেছিলেন এই পালামৌ স্থানটি মনে হয় শহরের মতনই বৃহৎ এই উদ্দেশ্যে তিনি সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং এই যাত্রাপথের পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা বৃদ্ধিত করেছেন।     রাঁচি থেকে লেখক পালামৌ এর জন্য যাত্রা শুরু করেছিলেন রাঁচি থেকে পালকি আরোহন করলে বাহগণের অনুরোধে তিনি দূর থেকে পালামৌ পরগনার বাহ্যিক পাহাড়ি পরিবেশ দেখতে পেয়েছিলেন।। এই পাহাড়ি পরিবেশ দেখে লেখক মনে করেছিলেন যেন মর্ত্যে মেঘ করেছে । লেখক সেখানে দাঁড়িয়ে দূর থেকে পালাময়ের সেই মনোহর দৃশ্য দেখতে লাগলো।।    দূরে সেই দৃশ্য লেখকের মনকে এতই আলোক...

মায়ামৃদঙ্গ উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো | মায়ামৃদঙ্গ সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

Image
    লেখক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের অন্যতম সাহিত্য সৃষ্টি মায়া মৃদঙ্গ  । উপন্যাসটি সমকালীন সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে এই উপন্যাসটি এক বিচিত্র জনজীবনের রূপ রীতির দলিল হিসেবে গৃহীত হয়েছে। আধুনিক বাস্তবতা গ্রাম কেন্দ্রিক জনজীবনের মানবিক বিকলন সম লিঙ্গের উন্মত্ত যৌনতার এক প্রেক্ষাপট এই উপন্যাসে সাহিত্যিক ভঙ্গিমায় তুলে ধরা হয়েছে। বিচিত্রমুখী এই উপন্যাসটির, মায়ামৃদঙ্গ উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো। মায়ামৃদঙ্গ উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা।    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের ‘ মায়ামৃদঙ্গ ’ উপন্যাসের মূল বিষয় এবং সেই বিষয়ের সঙ্গে জড়িত শিল্পী কলাকুশলীর সঙ্গে ব্যক্তি সম্পর্কের পারিবারিক বৃত্ত এমন ভাবে গঠিত করা হয়েছে যে গড়পত্তা একটা ভাব নগর নির্মাণ করা গেছে। উপন্যাসের নামকরণের প্রসঙ্গে এধরনের একটা কাঠামোগত বিন্যাসের কথা তুলে ধরার অবকাশ নিয়ে হয়তো বিতর্ক থাকতে পারে। আসলে উপন্যাসের মূল বিষয়টা আবার একটা অন্তর্গত মিথ বা গুঢ় অর্থপূর্ণভাব ব্যক্ততার ওপর টিকে আছে। এই ভাব ব্যক্ততা হল ভাব তত্ত্ব সংক্ষেপে মায়াতত্ত্ব ।         সাহিত্যে নামকরণ...

পালামৌ গ্রন্থে লেখকের ব্যাঘ্র শিকারের ঘটনাটি বর্ণনা কর

Image
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত পালামৌ একটি ভ্রমণ মূলক গ্রন্থ। গ্রন্থটিতে পালামৌ পরগনাতে যাবার ও পালামৌ পরগনা দেখে লেখক এর বিভিন্ন ভালোলাগা মন্দলাগা সেখানকার বিভিন্ন উপজাতিদের সংমিশ্রণে আসা তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে এক পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা এই গ্রন্থে আমরা পেয়ে থাকি। পালামৌ গ্রন্থে লেখকের ব্যাঘ্র শিকারের ঘটনাটি বর্ণনা কর    এই পালামৌ প্রবন্ধের তৃতীয় পর্বে লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পালামৌ পরগনাতে অবস্থিত লাতেহার পাহাড়ের সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রায় প্রত্যেকদিন এই লাতেহার পাহাড়ের সৌন্দর্যকে উপভোগ করার জন্য বিকাল বেলায় একা একা পাহাড়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতেন।    লেখক একদিন লাথিহার পাহাড় দেখতে বিকালবেলায় বেরিয়েছিলেন। হঠাৎ করে তার যাত্রা পথে একটি ছেলেকে দেখতে পান যে বিলদর্পে সেই পাহাড়ের দিকে যাচ্ছিল। আর তার পিছনে ছিল কতগুলি স্ত্রীলোক যারা ছেলেটির সঙ্গে সঙ্গেই চলছিল। লেখক সঞ্জীবচন্দ্র এই দৃশ্য দেখে মনে করেছেন হয়তো ছেলেটি ভাতের উপর রাগ করে বাড়ি ছেড়েছে তাই বাড়ির রমনীরা তাকে আটকানোর চেষ্টা করছে।   এরপর লেখক তাদের কাছে উপস্থিত হয়ে ছেলে...

Best Education Suggestions 2023 | HS Education Suggestions 2023 | HS 2023 suggestion Education

Image
 Best Education Suggestions 2023 | HS Education Suggestions 2023 | HS 2023 suggestion Education |দ্বাদশ শ্রেণী শিক্ষা বিজ্ঞান দ্বাদশ শ্রেণী ২০২৩ শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন শিক্ষা বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ সালের ২০২৩ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা উচ্চ মাধ্যমিক সাজেশন এডুকেশন সাজেশন উচ্চ মাধ্যমিক এডুকেশন সাজেশন |  প্রতিটি প্রশ্নের সাথে উত্তর দেওয়া হলো।।    HS best suggestion 2023 best education suggestion top education suggestion for HS 2023 best education suggestion for 100% common, wbchse, education,  HS Education Suggestion 2023 উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ :  পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিজ্ঞান পরীক্ষার সাজেশন ২০২৩ (West Bengal Higher Secondary Class 12th Education Suggestion 2023) নিচে দেওয়া হল।     West Bengal HS Education Suggestion 2023  prepared by expert subject teachers. WB HS  Education Suggestion with 100% Common in the Examination 2023. HS Education Suggestion 2023 – উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিজ্ঞান সাজেশন 2023 HS Education...

মুক্তধারা নাটকের নামকরণ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের দ্বিধাবোধ আলোচনা | মুক্তধারা নাটকের নামকরণ

Image
   রবীন্দ্রনাথের নাটিমালায় উল্লেখযোগ্য একটি পর্ব হলো রূপক সাংকেতিক ধারা। এই শাখা টি যে সকল শ্রেষ্ঠ নাটকে পরিপুষ্ট তাদের মধ্যে অন্যতম নাটক হলো মুক্তধারা । কিন্তু নাট্যকার এই নাটক রচনার প্রাক্কালে যে নামকরণ করেছিলেন পরবর্তী কলে তার নাম পরিবর্তন করেন। সমালোচকদের ভাষায় এটি একপ্রকার রবীন্দ্রনাথের  মতদ্বৈততা , তবুও তার নাম পরিবর্তনের কারণ অযৌক্তিক নয় যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক। এখানে মুক্তধারা নাটকের নামকরণ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের দ্বিধাবোধ নিয়ে সামান্য আলোচনা করা হলো - মুক্তধারা নাটকের নামকরণ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের দ্বিধাবোধ মুক্তধারা নাটক রচনার প্রাক্কালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রানু অধিকারীকে একটি পত্রে লিখেছিলেন -       " আমি সমস্ত সপ্তাহ ধরে একটা নাটক লিখেছিলুম - শেষ হয়ে গেছে, তাই আজ আমার ছুটি। এ নাটকটি প্রায়শ্চিত্ত নয় এর নাম পথ ।"      -- এর থেকে বোঝা যায় তিনি এই নাট্য রচনার প্রথমেই নাটকের নামকরণ ঠিক করে নিয়েছিলেন। তাই যদি ঠিক ছিলো তবে কেনো নাটকের নামকরণ নিয়ে মতদ্বৈততা দেখা দিল !    রবীন্দ্র সাহিত্য পথ শব্দটি নানান অনুষঙ্গে ব্যাবহৃত হয়...
Image
   গল্পটির মূল ঘটনা সাধারণ  মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান মৃত্যুঞ্জয়  একটি অফিসে চাকরি রত। সাধারণত তার অফিস যাবার অবলম্বন বাস বা ট্রাম। কিন্তু হঠাৎ করে একদিন পায়ে হেঁটে অফিস যাবার পথে অনাহারে মৃত্যু দেখে তার  জীবনে ও মানসিকতায়  একটি পরিবর্তন সৃষ্টি হয়।     সাধারণভাবে আমরা  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের  বিভিন্ন গল্পগুলিতে মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন লক্ষ্য করতে পারি। ঠিক একই রকম ভাবে  কে বাঁচায় কে বাঁচে  গল্পটিতে  মৃত্যুঞ্জয়ের  জীবনে এক  মনস্তাত্ত্বিক  টানাপোড়েন ঘটেছে। যে মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনের কারণে তার সুস্থ সবল ও সুখী পরিবার জীবন ছেড়ে নিজেকে মন্বন্তরের বুভুক্ষ মানুষদের মাঝখানে নিজেকে দাঁড় করাতে সে দ্বিধাবোধ করেনি।     এমনকি নিজে না খেয়ে সমস্ত দেশকে হয়তো বা বাঁচানো যেতে পারে এই ধারণা তে সে নিজেই ধীরে ধীরে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয় ও একসময় নিজেই নিজের জীবনটিকে অন্য সকল অনাহারী মানুষের সারিতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের "কে বাঁচায় কে বাঁচে" গল্পের নাম করণের স্বার্থকতা ...

ইছামতী উপন্যাসে নায়ক ভবানী বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
    বিভূতভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিখ্যাত উপন্যাস ইছামতি । লেখকের বিভিন্ন লেখার মধ্যে প্রকৃতি  অনাড়ম্বর ও কাঙ্ক্ষিত রূপে প্রবেশ করেছে, সেই দিক থেকে লেখকের শৈশব জড়িত ইছামতি নদী কে কেন্দ্র করে তার লেখা ইছামতি উপন্যাস। এই লেখার সাথে মানিক বন্দোপাধ্যায় এর পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কিছুটা মিল থাকলেও তা বৈশিষ্ট্য গত। এই উপন্যাসের  নায়ক চরিত্র ভবানী বন্দোপাধ্যায় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। ইছামতী  উপন্যাসে নায়ক ভবানী বন্দ্যোপাধ্যায়      ভবানী বন্দোপাধ্যায়ের ‘ ইছামতী ’ উপন্যাসে নায়ক পদবাচ্য চরিত্র। কিন্তু তিনি সত্যিকারের নায়ক নন। কারণ নিস্তারিণীর মত দু-একটি চরিত্র তার দ্বারা সামান্য একটু প্রভাবিত হলেও অন্য কোন চরিত্র গভীরভাবে প্রভাবিত হয়নি এবং উপন্যাস কাহিনীর গতিবেগও তিনি সক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করেননি। তাছাড়া বিভূতিভূষণ হয়তো কোনো মনুষ্য চরিত্রকে এই উপন্যাসে নায়ক করতে চাননি।    ইছামতি নদী এখানে মহাকাল ও অনন্ত জীবন প্রবাহের প্রতীক। গননাতীত উমিপুঞ্জো নিয়ে যেমন নদীপ্রবাহের সৃষ্টি, এই নদী লালিত মানুষ গুলিও তেমনি অখন্ড কাল প্রবাহের এক...